নবম-দশম শ্রেণি ICT ১ম অধ্যায়

প্রথম অধ্যায়: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ও আমাদের বাংলাদেশ

পূর্বে সম্পদের যে ধারণা ছিল, একুশ শতকে এসে সেটি পুরোপুরি পরিবর্তিত হয়ে গেছে। একুশ শতকের সম্পদ হচ্ছে জ্ঞান। কৃষি, খনিজসম্পদ, শিল্প কিংবা বাণিজ্যও নয় – এখন পৃথিবীর সম্পদ হচ্ছে সাধারণ মানুষ। শুধু মানুষই জ্ঞান অন্বেষণ, জ্ঞান ধারণ এবং জ্ঞান ব্যবহার করতে পারে। পৃথিবীর সম্পদের এই নতুন ধারণাটি সারা পৃথিবীর মানুষের চিন্তাভাবনার জগৎ পাল্টে দিয়েছে।

বর্তমান পৃথিবী জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির ওপর দাঁড়াতে শুরু করছে। একুশ শতকে দুটি শব্দ বহুল আলোচিত – একটি হচ্ছে Globalization, অন্যটি হচ্ছে Internationalization। এই দুটি বিষয় বা শব্দ আলোচিত হওয়ার  কারণ হচ্ছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (Information and Communication Technology)।

Globalization(বিশ্বায়ন): একুশ শতকে এসে একটি দেশের সীমানা এখন আর ভৌগোলিকভাবে সীমাবদ্ধ নেই। আজ বিভিন্ন দেশ, জাতি, ধর্মের মানুষ সারা বিশ্বেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। একটি দেশের নাগরিক বিশ্বের যে প্রান্তেই থাকুক না কেনো, সে তার দেশকে সারা বিশ্বের সামনে উপস্থাপন করছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নতির কারণে একটি দেশের মানুষ, ইতিহাস, সংস্কৃতি ভৌগোলিক সীমানা ছাড়িয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পরছে, এটিই ‘Globalization”।

Internationalization (আন্তর্জাতিকরণ):

 আন্তর্জাতিক বলতে অধিকাংশ ক্ষেত্রে (একটি কোম্পানি, ভাষা, অথবা সংগঠন) বোয়ায় যা একের অধিক দেশের সাথে সংযুক্ত অথবা এর কার্যক্রম একের অধিক দেশে বিস্তৃত। যেমন, আন্তর্জাতিক আইন যা প্রয়োগ করা হয় একের অধিক দেশ বা জাতির জন্য, আন্তর্জাতিক ভাষা যা ব্যবহৃত হয় পৃথিবীর সকলদেশে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশের পেছনে রয়েছে অনেক বিজ্ঞানী, স্বপ্নদ্রষ্টা, প্রকৌশলী এবং নির্মাতার অবদান। তার যুক্ত এবং তার বিহীন যোগাযোগ ব্যবস্থা, কম্পিউটারের গণনা ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মাইক্রোইলেকট্রনিক্সের বিকাশ বর্তমানে আইসিটিকে হাতের মুঠোর মধ্যে নিয়ে এসেছে। নিচে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো –

নাম

পরিচিতি ও অবদান

চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage)

একজন ইংরেজ প্রকৌশলী ও গণিতবিদ। তাঁকে আধুনিক কম্পিউটারের জনক। তিনি ডিফারেনস ইঞ্জিন তৈরি করেছেন।

অ্যাডা লাভলেস (Ada Lovelace)

ইংরেজি সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি লর্ড বায়ারনের কন্যা। তাকে প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক বলা হয়। পৃথিবীর প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার।

জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল (James Clerk Maxwell)

তড়িৎ চৌম্বকীয় বলের ধারণা প্রকাশ করেন।

জগদীশচন্দ্র বসু (Jagadish Chandra Bose)

রেডিও বিজ্ঞানের অগ্রপথিক ও অন্যতম আবিষ্কারক।

গুগলিয়েলমো মার্কনি (Guglielmo Marconi)

রেডিওর প্রধান আবিষ্কারক।

রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন (Ramond Samuel Tomlinson)

প্রথম ই-মেইল (E-Mail) পদ্ধতি চালু করেন।

স্টিভ জবস (Steve Jobs

স্টিভ জবস (Steve Jobs) (১৯৫৫-২০১১) ও তার দুই বন্ধু স্টিভ ওজনিয়াক (Steve Wozanmak) রোনাল্ড ওয়েইন (Ronald Wayne) ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল অ্যাপল কম্পিউটার নামে প্রতিষ্ঠান চালু করেন।

William Henry Gates বা Bill Gates (বিল গেটস)

মাইক্রোসফট কোম্পানির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।

মাইক্রোসফট কোম্পানির অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার অধিকাংশ কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।

স্যার টিমোথি জন বানর্সলি (Sir Timothy John Berners-Lee)

তিনি ওয়ার্ল্ড ভ্যাইড ওয়েবের (www) জনক হিসেবে পরিচিত।

মার্ক জাকারবার্গ (Mark Zuckerberg)

ফেসবুকের (Facebook) অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক।

ই-লার্নিং ও বাংলাদেশ

ই-লার্নিং হলো ইলেকট্রনিক লার্নিং-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে সিডি রম, ইন্টারনেট, ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক, কিংবা টেলিভিশন চ্যানেল ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের কাছে জ্ঞান পৌঁছানোর একটি পদ্ধতি। ই-লার্নিং সনাতন পদ্ধতির বিকল্প নয়, বরং তার একটি পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।

বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশে দক্ষ শিক্ষকের অভাব এবং ল্যাবরেটরি ও শিক্ষা উপকরণের সীমাবদ্ধতা সমাধানে ই-লার্নিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি অনলাইনে শিক্ষণ সামগ্রী সরবরাহ করে শিক্ষার্থীদের আরও কার্যকর ও আধুনিক শিক্ষার সুযোগ প্রদান করে।

শিক্ষার্থী ঘরে বসে ভিডিয়ো লেকচার, ইন্টারঅ্যাকটিভ কনটেন্ট এবং অন্যান্য মাল্টিমিডিয়া উপকরণ ব্যবহার করে জ্ঞান অর্জন করতে পারে। এটি তাদের শেখার প্রক্রিয়াকে স্বতঃস্ফূর্ত এবং সহজলভ্য করে তোলে।

ই-গভর্ন্যান্স ও বাংলাদেশ

ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে শাসন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং নাগরিক সেবার সহজীকরণের প্রক্রিয়াই হলো ই-গভর্ন্যান্স। এটি সরকারি ব্যবস্থাসমূহকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করে নাগরিক হয়রানি দূর করতে সাহায্য করে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে সময় সাশ্রয় করে।

ই-গভর্ন্যান্স নাগরিকদের ঘরে বসেই বিভিন্ন সরকারি সেবা , যেমন বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাসের বিল পরিশোধ প্রভৃতিতে সহায়তা করে। নাগরিক হয়রানি কমায় এবং কর্মঘন্টার অপচয় রোধ করে। ই-সার্ভিস ও বাংলাদেশ

ই-সার্ভিস ও বাংলাদেশ

ই-সার্ভিস হলো ইলেকট্রনিক সার্ভিস। ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে সেবা প্রদানের ব্যাপারটি ই-সার্ভিস নামে পরিচিত। এ সেবা সরকারি কিংবা বেসরকারিভাবে প্রদান করা হতে পারে। এ প্রক্রিয়ায় অনেক ক্ষেত্রেই সেবাগ্রহীতারা ঘরে বসেই মোবাইল ফোনে কিংবা ইন্টারনেটে সেবা গ্রহণ করতে পারেন।

 ই-সেবা সেবাগ্রহীতাদের সময় এবং অর্থের সাশ্রয় নিশ্চিত করে। মোবাইল ফোন বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাড়িতে বসেই তারা বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সেবা গ্রহণ করতে পারেন। ফলে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানো বা সরাসরি অফিসে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা কমে যায়। পাশাপাশি ই-সেবার মাধ্যমে সেবার আদান-প্রদান প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর হয়। কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ই-সেবা কার্যক্রম হলো – ই-পূর্জি, ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম (ই-এমটিএস), ই-পর্চা, ই-স্বাস্থ্যসেবা, রেলওয়ের ই-টিকিটিং ও মোবাইল টিকিটিং।

ই-কমার্স ও বাংলাদেশ

ই-কমার্স হলো ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করে পণ্য বা সেবা বেচাকেনার পদ্ধতি। ক্রেতারা অনলাইনে পণ্য নির্বাচন করেন এবং ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং অথবা ক্যাশ অন প্রডেলিভারি পদ্ধতিতে মূল্য পরিশোধ করেন। এ পদ্ধতিতে পণ্য ক্রয়ের জন্য সরাসরি বিক্রেতার কাছে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

ই-কমার্স বা ই-বানিজ্য হলো ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বাণিজ্য পদ্ধতি। বাংলাদেশে ই-কমার্সের প্রসার ২০১১-১২ সাল থেকে শুরু হয়। শুরুতে এ পদ্ধতিটি খুব একটা জনপ্রিয় না হলেও ধীরে ধীরে এটি ক্রেতাদের নির্ভরতা অর্জন করে ও জনপ্রিয় হয়। বর্তমানে জামা-কাপড়, খাবার, বই, শৌখিন সামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্য ই-কমার্সের মাধ্যমে বেচাকেনা হচ্ছে।

বাংলাদেশের কর্মক্ষেত্রে আইসিটি

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও এখন কর্মক্ষেত্রে আইসিটির বহুমুখী প্রভাব ও ব্যবহার লক্ষ করা যাচ্ছে। এই প্রভাব ও পরিসর ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। কর্মক্ষেত্রে আইসিটির দুই ধরনের প্রভাব লক্ষ করা যায়। প্রথমত, প্রচলিত কর্মক্ষেত্রগুলোতে আইসিটির প্রয়োগের ফলে কর্মদক্ষতার বৃদ্ধি ও বাজার সম্প্রসারিত হচ্ছে, দ্বিতীয়ত, আইসিটি নিজেই নতুন নতুন কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি করেছে।

প্রচলিত কর্মক্ষেত্র ও পুরাতন ব্যবসা-বাণিজ্যে আইসিটি ব্যবহারের ফলে কর্মীদের দক্ষতা, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বেড়েছে। বর্তমানে দেশের অধিকাংশ চাকরির ক্ষেত্রে আইসিটি ব্যবহারের সাধারণ দক্ষতা একটি প্রাথমিক যোগ্যতা হিসেবে ধরা হয়।

অন্যদিকে আইসিটি নিজেই একটি বড়ো আকারের কর্মবাজার সৃষ্টি করেছে। হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার থেকে শুর করে ওয়েবসাইট নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি এখন নতুন দক্ষ কর্মীদের জন্য একটি বিশাল কর্মক্ষেত্র। কেবল দেশে নয়, আইসিটিতে দক্ষ কর্মীরা দেশের বাইরে কোনো প্রতিষ্ঠানে অথবা স্বতন্ত্রভাবে কাজ করতে পারে। এই কাজের একটি বড় অংশ দেশে বসেই সম্পন্ন করা যায়। আউটসোর্সিং করে এখন বাংলাদেশের অনেকেই বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে।

সামাজিক যোগাযোগ ও আইসিটি

মানুষ সামাজিক জীব। সমাজে চলাফেরা ও বিকাশের জন্য মানুষে মানুষে যোগাযোগের প্রয়োজন। আইসিটিতে সামাজিক যোগাযোগ বলতে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষে মানুষে মিথস্ক্রিয়াকেই বোঝায়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষ যোগাযোগ ও ভাব প্রকাশের জন্য যা কিছু সৃষ্টি, বিনিময় কিংবা আদান-প্রদান করে তাই সামাজিক যোগাযোগ। বর্তমানে আইসিটিভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ অনেকাংশে সহজ।

ইন্টারনেটে গড়ে উঠেছে অনেক প্ল্যাটফর্ম যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। যেমন: ফেসবুক (Facebook), টুইটার (Twitter বা X), লিঙ্কডইন (Linkedin) ও ইনস্টাগ্রাম (Instagram)। এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি মাধ্যম হলো-ফেসবুক ও টুইটার।

বিনোদন ও আইসিটি

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে সাথে বিনোদনের জগতে একটা নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে। এটি ঘটেছে দুইভাবে। প্রথমত, বিনোদনটি কীভাবে মানুষ গ্রহণ করবে সেই প্রক্রিয়াটিতে একটি মৌলিক পরিবর্তন এসেছে। দ্বিতীয়ত, বিনোদনের ভিন্ন ভিন্ন মাধ্যমগুলোতে গুণগত পরিবর্তন এসেছে।

তথ্যপ্রযুক্তি উন্নত হবার পর নতুন কিছু বিনোদনের জন্য হয়েছে যেটি আগে উপভোগ করা সম্ভব ছিল না, তার একটি হচ্ছে কম্পিউটার গেম। সারা পৃথিবীতেই এখন অম্পিউটার গেমের বিশাল শিল্প তৈরি হয়েছে এবং নানা ধরনের কম্পিউটার গেমের জন্ম হয়েছে। কম্পিউটার গেমের ব্যাপক জনপ্রিয়তা দেখেই আমরা আন্দাজ করতে পারি এটি বিনোদনের অত্যন্ত সফল একটি মাধ্যম।

২০১৮ সালের ১২ই মে তারিখটি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এদিনে বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম রাষ্ট্র হিসেবে তার নিজস্ব স্যাটেলাইট বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে প্রেরণ করে। এতে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে দেশ আরও একধাপ এগিয়ে গেল। স্যাটেলাইটটি ব্যবহার করে শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি, আবহাওয়ার পূর্বাভাস নানা ক্ষেত্রে সুফল পাওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অগ্রগতি লাভ করছে। টেলিজিশন সেবা ও জাতীয় নিরাপত্তার কাজেও এ স্যাটেলাইটটি ব্যবহার করা হচ্ছে। বাংলাদেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা ও ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ এর কারণে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে অর্থ সাশ্রয়ের সাথে সাথে প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ও সম্ভব হচ্ছে।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দাবলির সংক্ষিপ্ত রূপ বা অ্যাব্রিভিয়েশন

ARPANET – Advanced Research Projects Agency Network

ATM – Automated Teller Machine

CD – Compact Disc

CD-ROM – Compact Disc-Read Only Memory

COD – Cash On Delivery

DVD-ROM – Digital Versatile Disk-Read Only Memory

E-Learning – Electronic Learning

E-Commerce – Electronic Commerce

E-Mail – Electronic Mail

E-Governance – Electronic Governance

EMTS – Electronic Money Transfer System

HTTP – Hyper Text Transfer Protocol

ICT – Information and Communication Technology

IP – Internet Protocol

MS-DOS  – Microsoft Disk Operating System

SMS – Short Message Service

WWW – World Wide Web

নবম দশম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ১ম অধ্যায়ের নমুনা প্রশ্ন ও উত্তর

১. লন্ডন বিজ্ঞান জাদুঘর যান্ত্রিকভাবে গণনা করতে সক্ষম ইঞ্জিন কত সালে তৈরি করে?

ক. ১৮৩৩

খ. ১৮৪২

গ. ১৯৫৩

ঘ. ১৯৯১

উত্তর: ঘ

২. কোন আবিষ্কারকের আবিষ্কারের ফলে আজকের পৃথিবীতে ঘরে বসেই অফিসের কাজ করা সম্ভব হচ্ছে?

ক. চার্লস ব্যাবেজ

খ. অ্যাডা লাভলেস

গ. জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল

ঘ. জগদীশ চন্দ্র বসু

উত্তর: ক

৩. ফেসবুকের নির্মাতা কে?

ক. স্টিভ জবস

খ. বিল গেটস

গ. মার্ক জাকারবার্গ

ঘ. টিম বার্নার্স লি

উত্তর: গ

৪. সরকারি কাজে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে-

i. স্বল্পসময়ে সরকারি সেবা পাওয়া যাবে

ii. সরকারি সেবার মান উন্নত হবে

iii. ছুটির দিনেও অনেক সরকারি সেবা পাওয়া যাবে

নিচের কোনটি সঠিক?

ক. i ও ii

খ. i ও iii

গ. ii ও iii

ঘ i, ii ও iii

উত্তর: ঘ

নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৫ ও ৬ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও।

সুমন সেন্টমার্টিন বেড়াতে যেয়ে অসুস্থ হয়ে গেলে ফোনে সে ঢাকায় একজন চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করে। তিনি সুমনকে দ্রুত হাসপাতালে যেতে বলেন। পরে হাসপাতালের ডাক্তার ঢাকার বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করে সুমনের চিকিৎসার ব্যবস্থা করলেন।

৫. স্থানীয় ডাক্তার যে পদ্ধতিতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করতে পারেন তা হলো-

i. টেলিমেডিসিন সেবা

ii. ই-স্বাস্থ্যসেবা

iii. ই-কমার্স সেবা

নিচের কোনটি সঠিক?

ক. i ও ii

খ. র ও iii

গ. ii ও iii

ঘ. i, ii ও iii

উত্তর: ক

৬. সুমনের চিকিৎসায় কোন প্রযুক্তিটির ভূমিকা প্রধান?

ক. আইসিটি

খ. টেলিভিশন

গ. রোবট

ঘ. কম্পিউটার

উত্তর: ক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Math Captcha
38 + = 48